তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটি পণ্যের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে গুণগত মান, পরিমাপ সঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে বিএসটিআই বদ্ধপরিকর। ব্যবসায়ীদের নিয়ে প্রত্যেকটা পণ্যের উচ্চ গুণগত মান নিশ্চিতের দিকে অগ্রসর হতে হবে।’
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) প্রধান কার্যালয়ে গতকাল এক আলোচনা সভায় শিল্পমন্ত্রী এ কথা বলেন। ‘বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএসটিআই। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয় ‘নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় আস্থা নির্মাণে মেট্রোলজি’।
বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান। আলোচক হিসেবে ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের রুটিন দায়িত্বরত এবং এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান।
অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘গুণগত মানসম্পন্ন এবং সঠিক ওজনের পণ্য প্রাপ্তি জনসাধারণের নাগরিক অধিকার। এ অধিকার রক্ষায় বিএসটিআইকে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণ ভোগ্যপণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নকে আস্থার প্রতীক মনে করে।’
মানুষের আস্থার জায়গায় বিএসটিআই পৌঁছাতে পেরেছে উল্লেখ করে শিল্প সচিব বলেন, ‘বিএসটিআইয়ের ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি রয়েছে। আধুনিক ল্যাব স্থাপনের কার্যক্রম চলমান। খুলনা ও চট্টগ্রামে ১০ তলা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক ভবন ও ল্যাবরেটরি নির্মাণ, ১০ জেলায় আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জেলাগুলোতেও করা হবে।’
অনুষ্ঠানের সভাপতি কাজী ইমদাদুল হক বলেন, ‘ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও মুক্ত বাণিজ্য অর্থনীতিতে দেশীয় পণ্যের রফতানি সম্প্রসারণে বিএসটিআইয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক আধুনিকায়ন কর্মসূচি চলমান রয়েছে।’
তিনি জানান, দেশের ১১টি জেলায় পূর্ণাঙ্গ ল্যাবরেটরিসহ আঞ্চলিক ভবন নির্মাণ, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। আরো ৪২টি জেলায় সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে; পাশাপাশি প্রধান কার্যালয়ে নতুন ১৩ তলা ভবনসহ রসায়ন ও পদার্থ উইংয়ে ৬৭টি অত্যাধুনিক ল্যাব এবং ২১টি মেট্রোলজি ল্যাব স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। হালাল পণ্যে বাংলাদেশের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব)।
এফবিসিসিআই প্রশাসক বলেন, ‘বিএসটিআই বাসস্থান, খাদ্যপণ্যসহ সব বিষয়ে গ্রহণযোগ্য মান প্রণয়ন করে। প্রতিষ্ঠানটি সরকারের নীতি কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’